পরীক্ষার সার্টিফিকেট বা নম্বরপত্র হারিয়ে গেলে আপনার করণীয়
শিক্ষাজীবনের মূল্যবান সম্পদ সার্টিফিকেট
হারিয়ে ভীষণ চিন্তায় পড়ে যান অনেকেই।
কী করবেন, কিভাবে সার্টিফিকেট
ফিরে পাবেন তা বুঝতে পারেন না।সার্টিফিকেট বা এ ধরনের মূল্যবানশিক্ষাসংক্রান্ত কাগজপত্র হারালে বা নষ্ট হয়ে গেলে ঘাবড়ানোর কিছু নেই। প্রথমে যা করবেনঃ সার্টিফিকেট, নম্বরপত্র বা প্রবেশপত্রহারিয়ে গেলে দেরি না করে এ বিষয়ে দ্রুতপদক্ষেপ নেওয়া উচিত। এর জন্য প্রথমে আপনারএলাকার নিকটবর্তী থানায় একটি সাধারণডায়েরি (জিডি) করতে হবে। জিডিরএকটি কপি অবশ্যই নিজের কাছে রাখতে হবে। এরপর যেকোনো একটি দৈনিক পত্রিকায়বিজ্ঞপ্তি দিতে হবে। বিজ্ঞপ্তিতে নাম,শাখা, পরীক্ষার কেন্দ্র, রোল নম্বর, পাসেরসাল, বোর্ডের নামএবং কিভাবে আপনি সাটিফিকেট, নম্বরপত্রঅথবা প্রবেশপত্র হারিয়েছেন তা সংক্ষেপে উল্লেখ করতে হবে। থানায় জিডি ও পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশেরপর আপনাকে যেতে হবে যে বোর্ডেরঅধীনে পরীক্ষা দিয়েছেন সেইশিক্ষা বোর্ডে। শিক্ষাবোর্ডের ‘তথ্যসংগ্রহকেন্দ্র’ থেকে আবেদনপত্র সংগ্রহের পরনির্ভুলভাবে পূরণ করতে হবে। এরপর নির্ধারিত ফি সোনালী ব্যাংকের ডিমান্ডড্রাফটের মাধ্যমে বোর্ডের সচিব বরাবরজমা দিতে হবে। টাকা জমা হওয়ার পর আবেদনকার্যকর হবে। আবেদনপত্রের সঙ্গে মূল ব্যাংকড্রাফট, পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির কাটিং ও থানারজিডির কপি জমা দিতে হবে। আবেদনপত্রে যা পূরণ করতে হবেঃ আবেদনপত্র পূরণের ক্ষেত্রে প্রথমেই উল্লেখকরতে হবে আপনি কোন পরীক্ষার (মাধ্যমিকনা উচ্চমাধ্যমিক) কী হারিয়েছেনএবং কী কারণে আবেদন করছেন। আবেদনপত্রেরবিভিন্ন অংশে ইংরেজি বড়অক্ষরে এবং বাংলায় স্পষ্ট অক্ষরে পূর্ণ নাম, মাতার নাম, পিতার নাম, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেরনাম, রোল নম্বর, পাশের বিভাগ/জিপিএ,শাখা, রেজিস্ট্রেশন নম্বর, শিক্ষাবর্ষএবং জন্মতারিখ সহ বিভিন্ন তথ্য লিখতে হবে।পরবর্তী অংশে জাতীয়তা, বিজ্ঞপ্তি যে দৈনিকপত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে সেটির নাম ও তারিখ এবং সোনালী ব্যাংকের যে শাখায়ব্যাংক ড্রাফট করেছেন সে শাখার নাম,ড্রাফট নম্বর ও তারিখ উল্লেখ করতে হবে।আবেদনপত্রে প্রতিষ্ঠান প্রধানের সুপারিশেরপ্রয়োজন হবে। এতে তার দস্তখত ও নামসহসিলমোহর থাকতে হবে। আর প্রাইভেট প্রার্থীদের আবেদনপত্র অবশ্যই গেজেটেডকর্মকর্তার স্বাক্ষর ও নামসহ সিলমোহরথাকতে হবে। নষ্ট হয়ে যাওয়া সনদপত্র/নম্বরপত্র/একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্টের অংশবিশেষথাকলে পত্রিকায়বিজ্ঞপ্তি দিতে হবে না বা থানায়জিডি করতে হবে না। এ ক্ষেত্রে আবেদনপত্রেরসঙ্গে ওই অংশবিশেষ জমা দিতে হবে। তবে সনদে ও নম্বরপত্রের অংশবিশেষে নাম,রোল নম্বর, কেন্দ্র, পাশের বিভাগ ও সন, জন্মতারিখ ও পরীক্ষার নামনা থাকলে তা গ্রহণযোগ্য হবে না। আরবিদেশি নাগরিককে ব্যাংক ড্রাফটসহ নিজসরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। কত টাকা লাগবেঃ সাময়িক সনদ, নম্বরপত্র, প্রবেশপত্রফি (জরুরি ফিসহ) ১৩০ টাকা। এ ছাড়া ত্রি-নকলের জন্য ১৫০ টাকা এবং চৌ-নকলের জন্য২৫০ টাকা ব্যাংক ড্রাফটেরমাধ্যমে জমা দিতে হয়
No comments:
Post a Comment